Space for rent
Wednesday, 15 August, 2018, 3:33 AM
কলকাতায় ভরসা নেই, দিল্লি যাচ্ছেন বাংলাদেশের রোগী
Published : Sunday, 20 August, 2017 Time : 11:56 PM, Count: 467
A+ A- A
আসাদুজ্জামান আসাদ>>>
এনআরবি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম>>>
কোলকাতার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া বাংলাদেশি রোগীদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। যেখানে প্রতি মাসে প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে যেতেন সেখানে চলতি বছরের মার্চ থেকে এই সংখ্যা ১৫ শতাংশ কমে গেছে এমনটি ধারনা করেছেন ভারতের প্রভাবশালী একটি ইংরেজি দৈনিকে। হাসপাতালগুলোতে ভর্তিসহ নানা ধরনের জটিল প্রক্রিয়া এবং অতিরিক্ত বিলের কারণেই এমন হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। 

গত কয়েক মাসে কলকাতার শীর্ষ ছয় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীর হিসাব এ কথাই বলছে। ভারতের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক ‘টাইমস অব ইন্ডিয়ার’ প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছ, চিকিৎসাসেবা নিতে যাওয়া রোগীদের অবহেলা ও অতিরিক্ত বিলের কারণেই বাংলাদেশি রোগীদের সংখ্যা গত কয়েক মাসে কমে গেছে বলে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক বছরে কোলকাতার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা বাংলাদেশি রোগীদের সংখ্যা বেড়েছিল। কিন্তু গত কয়েক মাস থেকে এই সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। ঢাকুরিয়া, মুকুন্দপুর ও সল্টলেকে আমরি হাসপাতালের তিনটি শাখায় প্রতি মাসে প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে যেতেন। চলতি বছরের মার্চ থেকে এই সংখ্যা ১৫ শতাংশ কমে গেছে।

আমরি হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী (সিইও) রূপক বড়ুয়া বলেন, গত ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার হাসপাতালগুলো সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারণাই এর জন্য দায়ী। বাংলাদেশের রোগীরা হয়তো এখন কলকাতা ছেড়ে দিল্লি বা দক্ষিণের প্রদেশগুলোর দিকে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্যসেবা-ব্যবস্থা বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। রোগীদের এই বিশ্বাস একবার ভেঙে গেলে তা ফিরিয়ে আনা খুব কঠিন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রুবি জেনারেল হাসপাতালে গত মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত বহির্বিভাগে ও ভর্তি হওয়া বাংলাদেশি রোগী সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে। এই হাসপাতালে মাসে ৪৫০ জন বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতেন। এই সংখ্যা কমে গত জুনে ২০-এ নেমে এসেছে। রুবি জেনারেল হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) শুভাশীষ দত্ত বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারি থেকেই কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালগুলো সমালোচনার মুখে পড়ে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নোট বাতিলের খবর দেখেও বাংলাদেশি রোগীরা প্রভাবিত হয়েছেন। আমরা রোগীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব।’

শুভাশীষ দত্ত বলেন, এর জন্য ভিসানীতির কড়াকড়িও একটা বিষয়। হাসপাতালে ভর্তির জন্য চিকিৎসা ভিসা বাধ্যতামূলক করায় বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা কমছে। তবে তারা এখন চেন্নাই, বেঙ্গালুরু ও দিল্লিতে যাচ্ছেন। কোলকাতার চেয়ে সেখানকার হাসপাতালগুলোর ভাবমূর্তি বেশ ভালো।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, দক্ষিণ কোলকাতার দুটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রতি মাসে প্রায় ৭০০ বাংলাদেশি রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসতেন। গত পাঁচ মাসে তা ৫ শতাংশ কমে এসেছে। অ্যাপোলো হাসপাতালে প্রতি মাসে সাড়ে ছয় হাজার রোগী এলেও তা কমে গেছে। এছাড়া কোলকাতার আরএন ঠাকুর ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের (আরটিআইআইসিএস) রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে।



Editor : Faruk Syed
736 Carmella Cres. Ottawa, Ontario, K4A 4V8, Canada
Tel: 613 820 5537, nrbnews24@gmail.com, editor@nrbnews24.com