Space for rent
Tuesday, 20 August, 2019, 8:13 AM
চৌগাছার ৮শ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা
Published : Sunday, 4 August, 2019 Time : 9:07 PM, Count: 295
A+ A- A
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হজ্বে গেছেন। তাই যশোরের চৌগাছা উপজেলার ৮শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস প্রাপ্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, যশোরের চৌগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন গত ১১ জুলাই পবিত্র হজ্জ্বব্রত পালন করতে মক্কা শরীফ গমন করেছেন। ১২ জুলাই থেকে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম কিবরিয়া। কিন্তু তিনি ৪ আগস্ট (রবিবার) পর্যন্ত শিক্ষকদের বেতন বিলে স্বাক্ষর করার অনুমতি পাননি। ফলে উপজেলার ১৩৯ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৮ শত সহকারী ও প্রধান শিক্ষকরা এখনো জুলাই মাসের বেতন এবং ঈদ উল আযহার বোনাস পাননি। ঈদের আগে বেতন-বোনাস পাবেন কিনা এ বিষয়ে শিক্ষকরা দোলাচলে রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রাথমিক শিক্ষক জানান উপজেলা শিক্ষা অফিসার ১১ জুলাই হজ্জ্বের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করার পর ২৫ দিন পার হলেও ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসারকে শিক্ষক এবং অফিসের স্টাফদের বেতন বিলে স্বাক্ষর করার অনুমতিপত্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়নি। কেন হয় হয়নি জানতে চাইলে তারা বলেন হয়ত জেলা শিক্ষা অফিস থেকে অনুমতিপত্র পাওয়ার বিষয়ে অনুমোদন চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠাতে দেরি করা হয়েছে। ওই শিক্ষকরা আরো জানান ঈদ উল আযহার আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি থাকলেও আমরা বেতন বা বোনাস কোনটিই পায়নি। স্বাভাবিকভাবে হলে জুলাই মাসের ২৪/২৫ তারিখের মধ্যেই অন্তত বোনাসের টাকা পেয়ে যেতাম। আমাদের অনেক শিক্ষকই কুরবানীর পশু এখনো কিনতে পারেনি। উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারনেই এই সমস্যার উদ্ভব হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার হজ্জ্বে যাওয়ায় আমি দায়িত্ব পালন করছি। অর্থিক বিষয়ে স্বাক্ষর করার অনুমতিপত্র মন্ত্রণালয় থেকে এসে না পৌছানোয় এখন পর্যন্ত শিক্ষকদের বেতন-বোনাসে স্বাক্ষর করতে পারিনি। তবে শিক্ষকদের বেতন-বোনাস দেয়ার জন্য সকল বিষয় সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে। অনুমতিপত্র এসে পৌছালেই শিক্ষকরা যেন দ্রুত বেতন-বোনাস পেতে পারেন সেজন্য আমি হিসাররক্ষণ কর্মকর্তা ও ব্যাংকে কথা বলে রেখেছি। তিনি আরো বলেন শিক্ষকদের বেতন-বোনাস না দিতে পারায় আমি নিজের বেতন বিলও করিনি। আমার এত সহকর্মী বেতন পাচ্ছেন না আমি কিভাবে নেব। তিনি আশা প্রকাশ করেন দ্রুতই শিক্ষকদের বেতন-বোনাস দেয়া সম্ভব হবে।

সোনালী ব্যাংক চৌগাছা শাখার ব্যবস্থাপক আতিকুল ইসলাম বলেন ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসারের আর্থিক বিষয়ে স্বাক্ষরের অনুমতি না থাকায় শিক্ষকদের বেতন বিল স্বাক্ষর করতে পারেন নি বলে আমাকে জানিয়েছেন।

রিপোর্টঃ আজিজুর রহমান, চৌগাছা থেকে



Editor in Chief: Omar Ali
356, East Rampura, Dhaka-1219, Bangladesh.
Cell: 01712479824, nrbnews24@gmail.com