Space for rent
Thursday, 17 October, 2019, 10:20 PM
কলারোয়ায় বৃষ্টিতে বেহাল মহাসড়ক
Published : Sunday, 6 October, 2019 Time : 5:57 PM, Count: 82
A+ A- A
মুহাঃ আসাদুজ্জামান ফারুকী, কলারোয়া থেকে
> গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কলারোয়া উপজেলা সদরের বুকচিরে যাওয়া যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কারর্পেটিং ও ইটের সলিং উঠে গিয়ে পানি জমে বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে বর্তমানে যানবাহন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।  পৌরসদরের প্রধান সড়কের বেহাল দশায়ও নাস্তানাবুদ হচ্ছেন পথচারীরা।

কয়েকটি স্থানে পিচ-পাথর-খোয়া উঠে রীতিমত গর্তে রূপ নিয়েছে। সেখানে কাদাপানি আর ছোটছোট পাথরকুচিতে চলাচলে সীমাহীন সমস্যার মুখে পড়ছেন পথযাত্রীরা। মহাসড়ক যেনো মহাবিপদে রূপ নিয়েছে। পানির নিচে গর্ত দেখা না যাওয়ায় ভোগান্তি আর দূর্ভোগে পতিত হচ্ছেন ভূক্তভোগিরা। ফলে এসব স্থানে গাড়ী উল্টে প্রায়ই দূর্ঘটনা ঘটছে। বাড়ছে হতাহতের সংখ্যাও।

চলমান বৃষ্টিতে রাস্তার ওই সকল স্থান অনুপযোগী হয়ে পড়লেও সংশ্লিষ্টরা কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনদুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। মহাসড়কের পাশাপাশি পৌর সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন সড়কেরও একই রকম করুণ দশা।

পৌর সদরের কলারোয়া বাসস্ট্যান্ড, হাইস্কুল মোড়, থানার সামনে, যুগিবাড়ি এলাকার যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়ক, পৌরসভাধীন মাহেন্দ্র স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে হাসপাতাল রোডের সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ জনসাধারনের হাঁটাচলা করাই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে যানবাহন চলাচলে চরম জনদুর্ভোগও।

এছাড়াও উপজেলার কলারোয়া-কেশবপুর সড়কের গাজনা সরসকাটি বাজার পর্যন্ত বহু স্থানে গর্ত ও খানাখন্দে পরিণত হয়ে রাস্তার করুণ দশায় নাজেহাল পথচারীরা, প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা।
গাজনার ৬৫ বছর বয়সী আফছার উদ্দীন সরদারের প্রশ্ন- ‘আর কবে ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে সাধারন জনগন? দীর্ঘমাস যাবৎ বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা রাস্তাটি সংস্কারের জন্য হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের।

কলারোয়া-ধানদিয়া সড়ক, কলারোয়া-বালিয়াডাঙ্গা সড়ক ভায়া লাঙ্গলঝাড়া,সোনাবাড়িয়া-কেড়াগাছি ভায়া মাদ্রা সীমান্ত ফাঁড়ি সড়ক, গয়ড়া বাজার-সিংগা বাজার সড়ক, কলারোয়া-কুশোডাঙ্গা সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বিস্তীর্ণ অংশ বিধ্বস্ত হয়ে গেছে।এই সব সড়কে দুর্ঘটনা নিত্য সঙ্গী হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসী জানান, রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক ঘাপলার কারণে এক বছর পেরিয়ে যেতে না যেতেই রাস্তাগুলো ভেঙেচুরে যেতে শুরু করে।  রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ঠিকাদারের নামে কথা বলে পিঠ বাঁচানো দুঃসাধ্য বলে এলাকাবাসী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে বাধ্য হন।   

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- উপজেলা বেশ কিছু জায়গায় সংস্কার কাজ চললেও বিরামহীন বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ঠিকাদার,পথচারী উভয়ই। ছাত্র-ছাত্রীদের কাঁদামাখা ড্রেসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। যেন দেখার কেউ নেই।

ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদেরও। চিকিৎসা সেবা নিতে ক্লিনিক,হাসপাতালে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের। দীর্ঘমাস যাবৎ বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা রাস্তাগুলোর সংস্কারে দেখা মেলেনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের।

তাই ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে রাস্তা সংষ্কার করে জনভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।



Editor in Chief: Omar Ali
356, East Rampura, Dhaka-1219, Bangladesh.
Cell: 01712479824, nrbnews24@gmail.com